সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০ | ১৬ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
ঘুরে আসি

ঘুরে আসুন বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ জানুয়ারি ২০২০

ঢাকা থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ঢাকা – ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাঘের বাজার থেকে ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে সাফারী পার্কটির অবস্থান।

ঢাকার গুলিস্তান থেকে প্রভাতি-বনশ্রি বাস মাওনা যায়। এই বাসে করে বাঘের বাজার নামতে হবে। ভাড়া ৭০ টাকা। এছাড়াও মহাখালি থেকেও এই বাসে উঠা যাবে, ভাড়া ৬০ টাকা নিবে। অথবা সায়েদাবাদ থেকে বলাকা, গুলিস্তান থেকে গাজিপুরের যে কোন গাড়ি ও যাত্রাবাড়ি, মালিবাগ, রামপুরা থেকে সালসাবিল বা অনাবিল বা অন্য যে কোন বাসে গাজিপুর চৌরাস্তা গিয়ে, তারপর লেগুনা করেও যাওয়া যায়। চৌরাস্তা থেকে লেগুনা ভাড়া ৩০ টাকা।

কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেনে গাজিপুর নেমে লেগুনা করেও যাওয়া যাবে বাঘের বাজার। বাঘের বাজার থেকে ইজি বাইক/ অটো রিক্সা/ সিএনজি করে ৩ কিলো পশ্চিমে পার্কের ফটক পর্যন্ত যেতে ভাড়া নিবে জনপ্রতি 40টাকা।

দর্শনীয় স্থান

সাফারি পার্কে আছে জলহস্তী, বাঘ, সিংহ, হাতি, সাম্বার, মায়া হরিণ, চিত্রা হরিণ, বানর, হনুমান, ভল্লুক, গয়াল, কুমির ও বিচিত্র পাখী। এই পার্ক জুড়ে রয়েছে নানা দর্শনীয় পশু-পাখি ও ভাঙ্কর্য। পার্কের প্রথমে ঢুকেই হাতের ডানে পুরো পার্কের মানচিত্র পাওয়া যায়। এছাড়াও আছে ঝুলন্ত ব্রিজ ও হাতির উপরে চড়ার সুযোগ। তবে পার্কের বেশিরভাগ দর্শনীয় জিনিষগুলো টিকেটের বিনিময়ে দেখতে হবে।

এই পার্কটি পাঁচটি অংশে বিভক্ত:

বঙ্গবন্ধু চত্বর

কোর সাফারি: সাফারি পার্কের মূল আকর্ষণ এই কোর সাফারি। যেখানে জনপ্রতি ১০০ টাকা টিকেটের বিনিময়ে বাসে করে ঘুরে বেড়াবেন জঙ্গলে। আর বাঘ, ভাল্লুক, সিং, হরিন, জিরাফ, জেব্রা সহ বিভিন্ন প্রানি দেখবেন উন্মুক্ত। আপনার গাড়ির কাছে এসে তারা খেলা করছে।

কিংডম: এর আওতায় রয়েছে বাকি অন্যন্য আকর্ষনিয় সব কিছু। যেমন-

প্রকৃতি বিক্ষন কেন্দ্র

প্যারট এভিয়ারি

ক্রাউন ফিজেন্ট এভিয়ারি

ম্যাকাউ ল্যান্ড

ছোট পাখিশালা

ফেন্সি ডাক গার্ডেন

কুমির পার্ক

প্রজাপ্রতি বাগান

ইমু/অস্ট্রিচ গার্ডেন

কচ্ছপ ও কাছিম প্রজনন কেন্দ্র

লিজার্ড পার্ক

ভালচার হাউজ

হাতি শালা

মেরিন একুরিয়াম

অর্কিড হাউজ

পেলিকন আইল্যন্ড

ঝুলন্ত ব্রিজ

এগ ওয়ার্ল্ড

ধনেশ এভিয়ারি

প্রাইমেট হাউজ

লেক জোন

বোটিং লেক

লামচিতার ঘর

ক্যঙ্গারু এভিয়ারি

প্রাকৃতিক ইতিহাসের জাদুঘর

শিশু পার্ক

জীব বৈচিত্র্য পার্ক

বিস্তৃত এশীয় পার্ক

পার্কের ভেতরে খাবারের দাম অনেক বেশী (২২০-২৫০ টাকা প্যাকেট) তাই বাইরে থেকেই খেয়ে ঢোকা ভালো।

পার্কে প্রবেশ মুল্য ১০০ টাকা। সাফারী জিপের টিকিট ১০০ টাকা। অন্যান্য সব ক’টা খাচা ঘুরে দেখতে প্রতিজনের ১০০-১২০ টাকার একটি কম্বো টিকিট কেটে নিবেন। আর প্রজাপতি ঘর+জাদুঘরের টিকিট ২০ টাকা।

বিঃদ্রঃ-

*সঙ্গে করে ছাতা নিবেন অবশ্যই। (রোদ+ বৃষ্টি)

*প্রজাপতি খাচা+জাদুঘরে দেখার মত তেমন কিছু নেই।

*ভেতরে কোন হকার পাবেন না।

*এটি যেহেতু ডে ট্যুর, দিনে গিয়ে দিনে ফিরবেন সুতরাং চেস্টা করবেন ভোর ভোর রওয়ানা দিতে।

৭ বছর ধরে পরিত্যক্ত রাঙামাটি পর্যটনের অডিটোরিয়াম
‘২০২১ সালে বাংলাদেশ পর্যটনশিল্পের নতুন যুগে প্রবেশ করবে’

আপনার মতামত লিখুন