মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০ | ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
জাতীয়

আবারও রাষ্ট্রপতি পদক পেলেন সাহসী র‌্যাব কর্মকর্তা আলেপ উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
০৬ জানুয়ারি ২০২০
বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আলেপ উদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আলেপ উদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

উপকূলের দস্যু আর জঙ্গি এবং সন্ত্রাসীদের কাছে আলেপ উদ্দিন এক আতঙ্কের নাম। চাকরি জীবনের অল্প সময়েই কাজের জন্য সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। সাহসী কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষের বন্ধু।  পেশাদারিত্ব, বিচক্ষনতা ও সাহসিকতা দিয়ে জঙ্গি দমনে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বর্তমানে র‌্যাব-১১ এর জঙ্গি সেল ইনচার্জের দায়িত্ব পালন করছেন। জঙ্গি দমনে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ দ্বিতীয় বারের মতো পেয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ সম্মানজনক রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) সাহসিকতা। 

রোববার সকালে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের প্যারেড গ্রাউন্ডে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিনকে মেডেল পরিয়ে দেন। গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, সততা, কর্মনিষ্ঠা, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদান এবং সেবামূলক কাজের বিবেচনায় এ পদক দেওয়া হয়।

চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা আলেপ উদ্দিন ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর র‌্যাব-১১ তে যোগদান করেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর র‌্যাব-১১ এর জঙ্গি বিরোধী কার্যক্রমে ব্যাপক সফলতা আসে। তিনি ২০১৯ সালে ১০টি বিদেশি পিস্তল, ২টি রিভলবার, ১টি দোনলা বন্দুক, ১৪৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ৬টি ম্যাগাজিন, ৫০ হাজার পিস ইয়াবা, ২৪৮ কেজি গাঁজা, ১২৩৭টি চোরাই মোবাইল, নগদ ২ লাখ ৬৫ হাজার ৯৫০টাকা উদ্ধার করেন।

তিনি ৩ জন অপহৃত ভুক্তভোগী উদ্ধারসহ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, চাদাবাজ, ডাকাত, হত্যা মামলার আসামী, ধর্ষণ ও অপহরণকারীসহ মোট ১০৮ জনকে গ্রেফতার করেন।

২০১৯ সালে জেএমবি ও জেএমবির সারোয়ার তামিম গ্রুপ এবং আনসার আল-ইসলামসহ বিভিন্ন সংগঠনের ২৫ জঙ্গিকে গ্রেফতার করেন। তিনি ২০১৯ সালে ১৬টি জঙ্গি বিরোধী অভিযানসহ মোট ৫৪টি সফল অভিযানে নেতৃত্বে দেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন ১৯৮৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহন করেন। উদ্ভিদ বিজ্ঞানে অনার্স-মাস্টার্স শেষে ২০১৩ সালের ১৫ জানুয়ারি এএসপি হিসেবে (৩১তম বিসিএস) পুলিশে যোগদান করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ৩৪টি জঙ্গি বিরোধী অপারেশনের নেতৃত্ব দিয়ে জেএমবির শীর্ষ স্থানীয় নেতাসহ ৬৭ জন বিভিন্ন সংগঠনের জঙ্গিকে গ্রেফতার করে ২০১৭ সালেও জন্য রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পেয়েছিলেন। সেই সময় শিশু পাচারচক্রের মূলহোতাসহ ১৭ শিশুকে উদ্ধার ও শিশু হত্যাকারীচক্রের ৭ জনকে গ্রেফতারসহ উদ্ধার করেন বিপুল পরিমান অস্ত্র, গোলাবারুদ, বোমা ও বোমা বানানোর সরঞ্জাম।

বাণিজ্য মেলায় ওয়ালটনের ধ্রুপদী প্যাভিলিয়ন
বাণিজ্য মেলায় মার্সেলের ৩৫০ মডেলের পণ্য

আপনার মতামত লিখুন