রোববার, ২৩ জুন ২০২৪ | ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
দেখা থেকে লেখা

মারমেইড বিচ রিসোর্টে ‘চাঁদের নৌকায়’ ভ্রমণ

হাকিম মাহি
১৮ জানুয়ারি ২০২২

যতদূর চোখ যায় ধু ধু জলরাশিতে ছুঁই ছুঁই সুনীল আকাশ। উত্তাল ঢেউয়ের তালে দুলে চলছে নৌকা। দিগন্ত বিস্তৃত সাগরে তাকিয়ে থাকতে থাকতে বিমোহিত আবেশে হারিয়ে যায় মন। ভাবুন বঙ্গোপসাগরের মাঝখানে আপনি, আর আপনাকে নিয়েই এমন দৃশ্য, কেমন লাগবে? 

আপনার জন্যই সাগর ভ্রমণের সুযোগ এনেছে মারমেইড বিচ রিসোর্ট। মারমেইড বিচ রিসোর্ট মানেই সাগর, বালুকাবেলা, সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত এবং নির্জনতাসহ প্রকৃতির সব সৌন্দর্য যেন ঠিক এক জায়গায়। আর এতসব আয়োজনের সঙ্গে এবার যোগ হলো বঙ্গোপসাগর ভ্রমণ। মারমেইড বিচ রিসোর্টে থাকলেই পর্যটকদের চাঁদের নৌকায় করে নেওয়া হবে বঙ্গোপসাগরে। এর জন্য পর্যটকদের গুণতে হবে না বাড়তি কোনো অর্থও। 

কক্সবাজার ভ্রমণে গেলে সৈকতের তীরে সারি সারি চাঁদের নৌকা দেখতে পাওয়া যায়। চাঁদের মতো দেখতে বলেই এর নাম ‘চাঁদের নৌকা’। নৌকাটি কক্সবাজারের ঐতিহ্য। সাগর পাড়ে ঠাঁই হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এসব নৌকায় পর্যটকদের ছবি তোলার হিড়িক পড়ে।  

মারমেইড বিচ রিসোর্টে রাত্রিযাপন করলে পর্যটকরা পাবেন এই সুযোগ। চাঁদের নৌকায় করে রেজু খাল হয়ে বঙ্গোপসাগরে নেওয়া হবে তাদের। রিসোর্টে অবস্থানকালে একদিন তাদের সাগর ভ্রমণের স্বাদ দেওয়া হবে। ভ্রমণের সময় খাবার ও অন্যান্য পরিষেবাও প্রদান করা হবে। 

এখনো পর্যন্ত নৌকায় করে পর্যটকদের সাগর ভ্রমণের কোনো উদ্যোগ নেই কক্সবাজারে। জেট স্কি বা ওয়াটার বাইকে করে সাগরে ‘ঢুঁ মারা’ গেলেও তা যেন দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতো। এর জন্য গুণতেও হয় হাজার টাকা। 

মারমেইড ইকো ট্যুরিজম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আনিসুল হক সোহাগ বলেন, চাঁদের নৌকাগুলো সাগর পাড়ে থাকে। এগুলোতে করে পর্যটকদের নিয়ে সাগরে ঘোরা যায়, এমন উদ্যোগ কেউ নেয়নি। মারমেইড প্রথম বর্ণিল কক্সবাজারের ঐতিহ্য-চাঁদের নৌকায় করে সাগরে নেবে পর্যটকদের। আমরা পর্যটকদের সর্বোচ্চ পরিষেবা দিতে প্রস্তুত। এই রিসোর্টে অবস্থানকালে তাদের পুরো সময় আনন্দময় করে তুলতে চাই। এজন্যই সাগর ভ্রমণের এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রেড জোন ঘোষণায় রাঙ্গামাটিতে পর্যটকের ধস
নির্মিত হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর স্বপ্নের ডিসি পার্ক

আপনার মতামত লিখুন