রোববার, ২৩ জুন ২০২৪ | ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ঘুরে আসি

পর্যটকদের সিলেট ঘুরিয়ে দেখাবে সিটি কর্পোরেশনের ট্যুরিস্ট বাস

অনলাইন ডেস্ক
০২ অক্টোবর ২০২২

নগরীতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সুবিধার্থে ট্যুরিস্ট বাস চালু করতে যাচ্ছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)। সম্প্রতি এমন কথা জানান শহরের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, “সিলেটে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পর্যটক বেড়াতে আসেন। তাদের সুবিধার্থে এরই মধ্যে নগরীতে বেশ কয়েকটি ওয়াকওয়ে নির্মিত হয়েছে। আরও কিছু ওয়াকওয়ের কাজ চলমান।”

তবে বাসের রুট এবং ভাড়ার বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

মেয়র বলেন, “ধোপাদিঘী ওয়াকওয়ে, রোজভিউ সংলগ্ন উপশহর ওয়াকওয়ে, জল্লারপাড় ওয়াকওয়ের নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।”

তিনি জানান, গোয়াবাড়ি ওয়াকওয়ে ও বালুচর ওয়াকওয়ের নির্মাণকাজও প্রায় সম্পন্ন। সাগরদিঘীরপাড় ওয়াকওয়ের নির্মাণকাজ চলছে। এমসি কলেজের মাঠের চারপাশ ঘিরে নান্দনিক ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। 

মেয়র আরিফুলের আশা, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরবাসী এবং ঘুরতে আসা পর্যটকরা কিছুটা হলেও শহরের ভেতরে সময় কাটাতে পারবেন।

এ প্রসঙ্গে মেয়র আরও বলেন, “সিলেটে বেড়াতে এসে অনেক সময় পর্যটকরা নানা হয়রানির শিকার হন। বিশেষ করে কিছুসংখ্যক পরিবহন ব্যবসায়ীর হাতে তারা জিম্মি হয়ে পড়েন। সিলেটের স্বার্থে এখানকার পর্যটন খাতকে টিকিয়ে রাখা জরুরি। পর্যটকদের সুবিধার্থেই সিসিক ট্যুরিস্ট বাস চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে।”

শহর ঘুরে দেখা গেছে, ভারত সরকারের অর্থায়নে নগরীর ধোপাদীঘি ওয়াকওয়ে চালুর পর প্রতিদিন সেখানে বিপুলসংখ্যক নগরবাসী ও পর্যটক বেড়াতে আসেন। নগরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ধোপাদীঘি সংস্কারের মাধ্যমে সৌন্দর্যবর্ধনের এ উদ্যোগ নেয় সিসিক। এর অংশ হিসেবে “বিউটিফিকেশন অব ধোপাদিঘি” নামের একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। প্রকল্পের আওতায় দিঘীর চারপাশে নির্মাণ করা হয়েছে ওয়াকওয়ে। সেখানে ওয়াকওয়ের পাশাপাশি রয়েছে দীঘি।

দীঘির পশ্চিম পাশে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর সীমানাপ্রাচীর এবং উত্তর দিকে ওসমানী শিশু উদ্যান রয়েছে।

সূত্র জানায়, এই দীঘির পূর্ব দিকে দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আর দক্ষিণ প্রান্তে খোলা জায়গা রয়েছে। তবে পূর্ব এবং দক্ষিণ পাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাসা-বাড়ির বর্জ্য ফেলা হয় দীঘিতে। এতে দীঘির পানি এবং সংশ্লিষ্ট পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়। তাছাড়া, কচুরিপানায় ভর্তি দীঘির পানির রঙ কালচে ধারণ করে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এসব কারণে এই দীঘির পানি ব্যবহারের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছিল। 

এ অবস্থায় দীঘিটি সংস্কারের পদক্ষেপ নেয় সিসিক। সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার পর ওই এলাকায় বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ভিড় থাকে মানুষের। এটি এখন সিলেটের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন পর্যটনকেন্দ্র।

টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে চলবে না জাহাজ
বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা পেলো প্রায় দেড় হাজার রোগী

আপনার মতামত লিখুন