শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২ | ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
অর্থনীতি

১০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি মৌলভীবাজারের পর্যটন খাতে

অনলাইন ডেস্ক
২০ সেপ্টেম্বর ২০২২

গেল ১০ বছরে মৌলভীবাজার জেলার পর্যটন খাতে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এতে এ জেলা দিনকে দিন পর্যটকবিমুখ হয়ে পড়ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের আশায় চোখধাঁধানো একাধিক হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট গড়ে উঠলেও পর্যটক কমে আসায় ব্যবসায়ীরা চরমভাবে হতাশ।

উঁচু-নিচু পাহাড় আর দৃষ্টিনন্দন হাওড়বেষ্টীত বৈচিত্র্যপূর্ণ জেলা মৌলভীবাজার। প্রকৃতিগতভাবে গড়ে ওঠা একাধিক ঝরনা আর পাহাড়ের রূপলাবণ্য বিস্তৃত প্রান্তরজুড়ে। একই সঙ্গে টিলার বুকজুড়ে সবুজ গালিচায় মোড়ানো দৃষ্টিনন্দিত চা বাগান। মূলত প্রকৃতি আর নির্জন নীরবতার স্বাদ নিতেই এখানে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আনাগোনা থাকে সব ঋতুতে। এ জেলায় দুই শতাধিক পর্যটন স্পট রয়েছে।

তবে পর্যটনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, গেল ১০ বছরে এ জেলার পর্যটন খাতে কোনো রকমের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। জেলার সব কটি পর্যটন স্পট সেই মান্ধাতা আমলের অবকাঠামোগত অবস্থায় পড়ে আছে।  পর্যটন স্পটগুলো পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করতে কোনো রকমের উদ্যোগ নেই। নেই দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা। এতে সেই পুরোনো এবং বছরের পর বছর পড়ে থাকা এসব পর্যটন স্পটে পর্যটকদের উপস্থিতি আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।

একাধিক পর্যটক জানান, সুযোগ-সুবিধা ও নতুনত্ব না থাকায় একবার ঘুরতে এলে দ্বিতীয়বার আর আসতে ইচ্ছে হয় না।

পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িত তরুণ ব্যবসায়ী গ্রিনলিফ গেস্ট হাউসের পরিচালক এস কে দাশ সুমন জানান, মৌলভীবাজার পর্যটকবিমুখ হয়ে পড়ায় এরই মধ্যে বেশকিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। আর সম্প্রতি একদম নতুন আঙ্গিকে নির্মিত ওয়াটারলিলি রিসোর্ট-এর স্বত্বাধিকার মো. আজিজুর রহমান জানান, অনেক আশা নিয়ে তিনি তার এ প্রতিষ্ঠান চালু করেছিলেন। তবে পর্যটক না পেয়ে এক রকম হতাশাগ্রস্ত তিনি।

পর্যটন সেবা সংস্থার সভাপতি মো. সেলিম আহমদ জানান, গেল ১০ বছরে মৌলভীবাজার পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে কোনো কাজ হয়নি। এতে পর্যটকবিমুখ হয়ে পড়ছে এ জেলা।

তবে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে এ জেলার পর্যটন স্পটগুলো আরও ঢেলে সাজানোর কথা জানান জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান।

শ্রীলঙ্কার পর্যটন খাতে ফিরছে সুদিন, ৮ মাসে আয় ৮৯ কোটি ডলার
২০২৫ সাল থেকে মহাকাশ পর্যটন চালু করছে চীন

আপনার মতামত লিখুন